ভারতের আদালতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনকে বেকসুর খালাস - Slogan71.com

ব্রেকিং নিউজ

Slogan71.com

Slogan71.com

Post Top Ad

Post Top Ad

ভারতের আদালতে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনকে বেকসুর খালাস


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় খালাস দিয়েছেন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের একটি আদালত।
এর আগে তিনবার রায়ের তারিখ পেছানো হলেও শুক্রবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খার সিংয়ের আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত সালাহউদ্দিন আহমেদকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন। সেই সঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমেদকে দ্রুত দেশে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করতে ভারত সরকারকে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।
আদালতের এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে যুগান্তরকে সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে এবং সত্যের জয় হয়েছে।
 দ্রুতই দেশে ফিরতে চান বলে  জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমেদের আইনজীবী এসপি মোহন্ত  জানান, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ আদালতে প্রমাণ করতে পারেনি রাষ্ট্রপক্ষ। আদালত সব সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে শুক্রবার রায় ঘোষণা করেছেন।
এ আইনজীবী আরও বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদকে এই ফরেনার্স অ্যাক্ট মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন সেই সঙ্গে তিনি যাতে দ্রুত বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করার জন্য ভারত সরকারকে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরা থেকে ‘নিখোঁজ’থাকার দুই মাস পর ১১ মে শিলংয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদের খোঁজ পাওয়া যায়। শিলং পুলিশ তাকে আটক করার দাবি করলেও সালাহউদ্দিনের দাবি, তিনি নিজেই পুলিশের কাছে গিয়েছেন। পরে শিলং থেকে তিনি স্ত্রী হাসিনা আহমেদকে ফোন করেন।

১৯৪৬ সালের ১৪ ধারা অনুযায়ী, অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে করা মামলায় ২০১৫ সালের ২২ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দেয় শিলং পুলিশ। এতে বলা হয়, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের শিলংয়ে আকস্মিক উপস্থিতি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিচার এড়াতে তিনি ভারতে এসেছেন।

এ মামলায় আদালত সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য রেকর্ড করেন। এছাড়া তাকে শিলংয়ে পাওয়ার পর যে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়, সেই হাসপাতালের দুই চিকিৎসকসহ ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।
বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ভারতে প্রবেশের অভিযোগে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে তিন বছর ধরে চলা এ মামলার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শুক্রবার তাকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ। এরপর প্রশাসনের চাকরি ছেড়ে ২০০১ সালে কক্সবাজার থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন। ভারতে যখন তিনি আটক হন তখন তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সেখানে আটক থাকা অবস্থায়ই বিএনপির ষষ্ঠ কাউন্সিলে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের সদস্য মনোনীত হন সালাহউদ্দিন।

Post Top Ad